সিলেটে জেএমবি সদস্যের বাসা থেকে বোমা ও সরঞ্জাম উদ্ধার

সিলেটে জেএমবি সদস্যের বাসা থেকে বোমা ও সরঞ্জাম উদ্ধার

ইমরান মাহমুদ,সিলেট: সিলেট নগরীর জালালাবাদে নব্য জিএমবির গ্রেফতারকৃত এক সদস্যর বাসায় অভিযান চালিয়েছে পুলিশ। আজ মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) রাতে চালানো ওই অভিযানে বোমা, বোমা তৈরির সরঞ্জাম ও কম্পিউটার ডিভাইস জব্দ করা হয়।
মঙ্গলবার রাত ৮টার দিকে ঢাকা মহানগর পুলিশের কাউন্টার টেররিজম ইউনিট এ অভিযান চালায়। এসময় সিলেট মহানগর পুলিশের সদস্যরাও উপস্থিত ছিলেন বলে জানিয়েছেন সিলেট সিটি করপোরেশনের ৭ নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর আফতাব হোসেন খান।
তিনি জানান, জালালাবাদ আবাসিক এলাকার ৪৫/১০ নং বাসার মুক্তিযোদ্ধা মইনুল আহমদের বাসায় অভিযান চালায় পুলিশ। অভিযানের সময় আমিও উপস্থিত ছিলাম। এসময় বাসা থেকে বোমা, বোমা তৈরীর এবং কিছু কম্পিউটার সরঞ্জাম উদ্ধার করে নিয়ে যায় পুলিশ। উদ্ধারকৃত কম্পিউটারে বোমা তৈরির বেশকিছু ভিডিও ছিলো।
তবে সিলেট কতোয়ালি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সেলিম মিঞা এ অভিযানের বিষয়ে কিছু জানেন না বলে জানিয়েছেন। এরআগে সিলেটের বিভিন্ন এলাকা থেকে নব্য জেএমবি’র সিলেট সেক্টর কমান্ডারসহ সংগঠনটির ৫ সদস্যকে আটক করেছে ঢাকা মহানগর পুলিশের কাউন্টার টেররিজম ইউনিট। আটককৃতদের মধ্যে সাদও রয়েছেন। তিনি শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র বলে জানা গেছে।
পুলিশের দাবি, সিলেট অঞ্চলের প্রধান নাইমুজ্জামানের নেতৃত্বে হযরত শাহজালাল (র.) মাজারে হামলা চালানোর পরিকল্পনা ছিল তাদের। মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) পুলিশের কাউন্টার টেররিজম ইউনিট জানায়, রোববার রাতে নগরীর মিরাবাজারের উদ্দিপনের ৫১ নম্বর বাসা থেকে নব্য জেএমবি’র সিলেট আঞ্চলিক কমান্ডার ও শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র নাইমুজ্জামানকে আটক করা হয়।
পরে ঢাকা থেকে আসা পুলিশের বিশেষ একটি দল মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) ভোর পর্যন্ত নগর ও নগরের উপকন্ঠের বিভিন্ন জায়গায় অভিযান চালিয়ে আরও চার জনকে আটক করে। তাদের মধ্যে সাদ ও সায়েম নামে দুজন রয়েছেন। বাকী দুজনের পরিচয় নিশ্চিত হওয়া যায়নি। সাদ শাহজালাল বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী এবং সায়েম মদনমোহন কলেজের ছাত্র। তাদেরকে ঢাকায় নেওয়া হয়েছে।
ঢাকা মহানগর পুলিশের উপ কমিশনার (গণমাধ্যম) মো. ওয়ালিদ হোসেন বলেন, সিলেট থেকে যে নব্য জেএমবির পাঁচ সদস্য গ্রেপ্তার আছে। তারা পল্টনে বোমা বিস্ফোরণও ঘটনাতেও জড়িত ছিল